Search

জয়ার নয়া মিশন

প্রায় ছয় মাস ধরে ঢাকায় আটকে আছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। এই সময়ের বেশির ভাগই ঘরবন্দি ছিলেন তিনি। পাশাপাশি লকডাউনের মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাস্তায় নেমে কুকুরদের খাওয়াতে দেখা গেছে তাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসিত হয়েছে তার এমন মানবিকতা। শুধু তাই নয়, কুকুর নিধনের বিরুদ্ধেও সাম্প্রতিক সময়ে সোচ্চার জয়াকে আবিষ্কার করা গেছে। এমনকি এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিটও করেছেন তিনি। এদিকে এবার ছয় মাস পর কলকাতায় নয়া মিশন শুরু করতে যাচ্ছেন জয়া। এরইমধ্যে কয়েকটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আছেন তিনি সেখানকার।

কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে সবকিছু আটকে ছিল। এবার সেগুলো করতেই ভারতে উড়াল দিচ্ছেন এ শীর্ষ তারকা। জয়াকে নিয়ে নতুন ছবি নির্মাণ করছেন শিলাদিত্য মৌলিক। খুব শিগগিরই এ পরিচালকের ‘ছেলেধরা’ নামক ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে জয়া আহসানকে। ছবিটিতে নিজের চরিত্র ও গল্প বিষয়ে জয়া বলেন, ছিনতাই হয়ে যাওয়া বাচ্চাকে উদ্ধারের জন্য একজন মায়ের সংগ্রাম দেখা যাবে এখানে। সন্তানকে উদ্ধার করতে গিয়ে নতুন করে নিজেকে আবিষ্কার করেন মা। এমন একটি ভিন্নধর্মী চরিত্রেই কাজ করতে যাচ্ছি। এ ছবিতে আরো থাকছেন অনুরাধা মুখোপাধ্যায়, প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, ঈশান মজুমদার প্রমুখ। এর বাইরে আরো কয়েকটি কলকাতার চলচ্চিত্রেও কাজ করার কথা রয়েছে তার। এদিকে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয় জয়া অভিনীত চলচ্চিত্র ‘বিউটি সার্কাস’-এর শুটিং। এরমধ্যে কয়েক ধাপে হয়েছে শুটিং। প্রকাশ হয়েছে এর টিজারও। তবে বাকি ছিল এর কিছু অংশের কাজ। তবে লকডাউন পেরিয়ে কয়েকদিন আগেই সেই ছবির শুটিংয়ে আবার অংশ নিয়েছেন জয়া। ছবিটি পরিচালনা করছেন মাহমুদ দিদার। এর শুটিং হয়েছে অভিনেতা-প্রযোজক ডিপজলের সাভারের বাড়িতে। কারণ, সেখানেই আয়োজন করা হয়েছে ছবিটির শেষ দু’দিনের শুটিং। এরইমধ্যে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেনজয়া। তবে অনেকেরই জানা নেই যে, তার স্বপ্নের একটি চরিত্র হলো পুরুষের চরিত্রে অভিনয় করা। বিষয়টি অবাক করার মতো হলেও সত্যি। জয়া বলেন, আসলে আমার স্বপ্নের চরিত্র বলতে তেমন কিছু নেই। আমি সব সময় আমার থেকে দূরের চরিত্রে কাজ করতে চাই। সেদিক থেকে পুরুষের চরিত্রে কাজ করার সুযোগ পেলে করবো। কেউ যদি এমন চরিত্রের প্রস্তাব দেয় আর সব ঠিকঠাক থাকে তবে অবশ্যই করবো। এটা খুব চ্যালেঞ্জিং একটি বিষয় হবে বলে মনে হয় আমার।

Facebook
Twitter
LinkedIn