ভারতীয় বোলাররা শুরু থেকেই পাকিস্তানি ব্যাটারদের চাপে রাখলেন। ব্যাটিংয়ে নেমে কখনই তেমন স্বস্তিতে ছিল না বাবর আজমের দল। তবে স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে দুর্দান্ত জোড়া হাফসেঞ্চুরি উপহার দিলেন ইফতিখার আহমেদ আর শান মাসুদ।
ইফতিখার ঝড় তুলে ফিরলেন। শান মাসুদ দায়িত্ব নিয়ে খেললেন একদম শেষ ওভার পর্যন্ত। বিপদ কাটিয়ে ৮ উইকেটে ১৫৯ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি দাঁড় করিয়েছে পাকিস্তান। অর্থাৎ জিততে হলে ভারতকে করতে হবে ১৬০।
মেলবোর্ন ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিং করছে পাকিস্তান। শুরু থেকেই তাদের চেপে ধরেন ভুবনেশ্বর-অর্শদীপরা। একের পর এক বল মিস হতে থাকে। বারকয়েক হয় আবেদন।
প্রথম ওভারে পাকিস্তান তুলতে পারে মাত্র ১ রান। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই তারা হারিয়ে বসে অধিনায়ককে। গোল্ডেন ডাক (১ বলে ০) নিয়ে সাজঘরে ফেরেন বাবর।
বাবরের ফিরে যাওয়ার পরপর ফেরেন মোহাম্মদ রিজওয়ানও। ১২ বল খেলে তিনি করেন মোটে ৪ রান। বাবর আর রিজওয়ান টি-টোয়েন্টিতে ওপেন করতে নেমেছেন, এমন ম্যাচে কখনো দুজনের সামষ্টিক এর চেয়ে কম হয়নি। মহারণে দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারকে হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান।
সেই চাপ সামলে পাকিস্তানকে এরপর পথ দেখাতে থাকেন ইফতিখার আহমেদ এবং শান মাসুদ। শুরুতে খোলসে ঢুকে থাকলেও ১০ ওভার পেরোতেই হাত খোলেন ইফতিখার। অক্ষর প্যাটেলের এক ওভারে তিন ছয়ে ইফতিখার রান তোলেন ২১, ছুঁয়ে ফেলেন ব্যক্তিগত ফিফটিও। এরপরই অবশ্য ফিরে গেছেন তিনি। পাক শিবিরে ছোট একটা ধস নামে তার বিদায়ের পর।
মোহাম্মদ নওয়াজ, শাদাব খান, হায়দার আলি, এবং আসিফ আলি দ্রুত আউট হলে আবারো চাপে পড়ে পাকিস্তান। শান মাসুদ অবশ্য একপাশ আগলে ছিলেন। শেষ পর্যন্ত অর্ধশতকও পূরণ করে ফেলেন। তবে এরপরও পাকিস্তানের ১৬০ রানের লক্ষ্য পূরণটা সম্ভব মনে হচ্ছিল না, যেটা শেষমেশ সম্ভব হলো শেষদিকে শাহিন আফ্রিদির ক্যামিওতে। শেষ দিকে তার ৮ বলে ১৬ রানের ইনিংসে পাকিস্তান শেষমেশ ১৫৯ রান তুলে ২০ ওভার শেষ করে।



