Search
[english_date] / [bangla_date] / [hijri_date] / [bangla_time]

২২ টাকায়ও পাওয়া যাচ্ছ না গ্যাস সিলিন্ডার

রাজধানীর বাংলামোটর ইস্কাটন গার্ডেন এলাকার চা বিক্রেতা খলিল এ প্রতিবেদকে বলেন, ‘আমি এলপিজি সিলিন্ডার কেনার জন্য মোবাইল ফোনে দোকানির সঙ্গে কথা বলেছিলাম। দোকানি ১৩০০ টাকার সিলিন্ডার গতকাল চেয়েছিল ২১০০ টাকা। আজ সেই সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না, পেলেও ২২০০ টাকা দিতে হবে এবং ডেলিভারি এক-দুই ঘণ্টা পর হবে। দোকান চালানোর জন্য এখন গ্যাস কিনতেই হবে।’

শুধু খলিলই নন, গ্যাস সংযোগ না থাকায় তার মতো অনেকেই এখন বিপাকে পড়েছেন। এলপিজি সিলিন্ডারের অস্বাভাবিক দাম বাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ মানুষ।

মিন্টু নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘গত তিনদিন ধরে বাসায় বৈদ্যুতিক হিটারে রান্না করছি। ভাবছিলাম দাম কমবে, কিন্তু এখন আরও বেড়েছে। ২২০০ টাকা দিয়ে কিনে আনলাম।’

রাজধানীর মগবাজার, বাংলামোটর, নিউমার্কেট, আজিমপুরসহ আশপাশের অনেক এলাকায় দোকানে সিলিন্ডার নেই। দোকানিরা বলেন, সরবরাহ না থাকায় বিক্রি করতে পারছেন না। আনিসুর নামের এক দোকানি বলেন, ‘বাজারে সিলিন্ডার নেই। কেউ কিনতে এলেও দিতে পারছি না। আবার যাও পাচ্ছি, তা বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, বিক্রিরও করতে হচ্ছে বাড়তি দামে।’

প্রতি মাসে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ডিসেম্বরের ঘোষণায় ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয় ১২৫৩ টাকা, যা নিয়মানুযায়ী আগামীকাল ৪ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথা। ওই দিনই বিইআরসি জানুয়ারি মাসের নতুন মূল্য ঘোষণা করবে এবং ঘোষণার পর সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

তবে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই খোলা বাজারে হঠাৎ দাম বাড়িয়ে দেওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ভোক্তারা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, সময়মতো এলসি খুলতে না পারায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী এলপিজি আমদানি করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে হঠাৎ করেই বাজারে তীব্র সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয়েছে, এ জন্যই বেড়েছে দাম।

বিইআরসির এক কর্মকর্তা বলেন, সরবরাহ ঘাটতির কারণে এলপিজির দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যেসব স্থানে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে, সেখানে অভিযান চালাতে ভোক্তা অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

Facebook
Twitter
LinkedIn