Search

মির্জার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ নেতাকর্মী বিভিন্ন দলে যোগ দিচ্ছে : বাদল

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল বলেছেন, কোম্পানীগঞ্জের তথাকথিত জনপ্রতিনিধি কোম্পানীগঞ্জের অপরাজনীতির হোতা আবদুল কাদের মির্জা। যার কারণে কোম্পানীগঞ্জে বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির ও যার নির্দেশে চর ফকিরা ইউনিয়নের শ্রমিক লীগ নেতা আলা উদ্দিনকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি লাইভে এসে আওয়ামী লীগ নেতাদের চরিত্র হনন করেছেন। আবদুল কাদের মির্জাকে দুঃসময়ে পাইনি। আর এখন তার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে যোগদান করেছে।

তিনি আরো বলেন, আমাকে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে দলীয় নমিনেশন দিলে তিনি নাকি অত্মহত্যা করবেন। নেতা তখন অসুস্থ ওনার সহধর্মিণী আমাকে ফোন করে সিঙ্গাপুর থেকে বলেছেন, তোমার নেতার সিদ্ধান্ত তুমি যদি মান তুমি একদিন বড় নেতা হবে।

বুধবার রাতে ফেইসবুক লাইভে কাদের মির্জার মিথ্যাচারের প্রতিবাদে তিনি তার ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজকে কাদের মির্জা সত্য বচনের নামে সারা বংলাদেশে পাগল হিসেবে অখ্যাহিত হয়েছে। উনি মানুষের নামকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেন। উনি আজকে বিভিন্ন এমপির বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজির কথা বলেন। আজকে কোম্পানীগঞ্জবাসীকে আমি প্রশ্ন রাখতে চাই। বসুরহাট পৌরসভার ১৫ বছর উনি মেয়র, কোনো ব্যাক্তি টেন্ডারে এটেন্ড করতে পারেনি, উনার নির্দেশ ছাড়া।

তিনি আরো বলেন, কোটি কোটি টাকার টেন্ডার উনি নিজ হাতে (আবদুল কাদের মির্জা) নিয়ন্ত্রণ করতেন। নামে বেনামে লাইসেন্স দিয়ে সকল কাজ করে তিনি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। আজকে উনারও সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে, এজন্য উনি বসুরহাট বাজারের আরেকটি প্রাণকেন্দ্র জিরো পয়েন্টের কাছে নিজ নামে মির্জা টাওয়ার করছেন। আমি কোম্পানীগঞ্জের ব্যবসায়ীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলব তার এ ফাঁদে পা দিবেন না। কারণ মির্জা টাওয়ার এখনো স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন পায়নি।

এ সময় মিজানুর রহমান বাদল আবদুল কাদের মির্জার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টে টেন্ডারবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ উপস্থাপন করে বলেন, যাদের বিরুদ্ধে তিনি বিষেদাগার করেছেন প্রত্যেকটা জায়গায় কোনো না কোনো অর্থনৈতিক লেনদেনের সর্ম্পক রয়েছে। ওই অর্থনৈতিক লেনদেন যাদের সাথে মিলে নাই তাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন।

Facebook
Twitter
LinkedIn