Search
[english_date] / [bangla_date] / [hijri_date] / [bangla_time]

শেখ হাসিনাকে ফেরত দিন

সীমান্ত হত্যা, গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন ও তিস্তা নিয়ে আলোচনা * জনগণের কল্যাণে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চান ড. ইউনূস * সম্পর্ক খারাপ হয়, এমন বক্তব্য পরিহারের আহ্বান নরেন্দ্র মোদির

অনেক জল্পনাকল্পনার পর অবশেষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রথম দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়েছে বাংলাদেশ। এছাড়াও ভারতে বসে হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য, সীমান্ত হত্যা, গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন, তিস্তার পানিবণ্টনসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় তুলেছেন ড. ইউনূস। বৈঠকে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভারতের আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়েছেন মোদি। পাশাপাশি তিনি সীমান্ত সুরক্ষা, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং তাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত সহিংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন। নরেন্দ্র মোদি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠনে ভারতের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

Advertisement

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের সাংরিলা হোটেলে শুক্রবার বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দুই প্রতিবেশী দেশের সরকারপ্রধান আধা ঘণ্টারও বেশি সময় দুদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। বৈঠকে ড. ইউনূস ১০ বছর আগের কথা মনে করিয়ে মোদিকে একটি ছবি উপহার দিয়েছেন।

অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। আমাদের দুটি দেশের বন্ধুত্ব সুদৃঢ় ইতিহাস, ভৌগোলিক নৈকট্য এবং সাংস্কৃতিক সাদৃশ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। ১৯৭১ সালে আমাদের কঠিন সময়ে ভারত সরকার ও জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য আমরা চিরকৃতজ্ঞ।

দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বেশকিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশের জনগণের কল্যাণে সম্পর্ক সঠিক পথে এগিয়ে নিতে আমরা আপনার সঙ্গে একযোগে কাজ করতে চাই। বিমসটেকের নতুন চেয়ারম্যান হিসাবে অধ্যাপক ড. ইউনূস সাত সদস্য দেশের মধ্যে মুক্তবাণিজ্য চুক্তির জন্য ভারতের সমর্থন চান। তিনি গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি নবায়নের আলোচনা এবং তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি চূড়ান্তকরণের আহ্বান জানান।

Facebook
Twitter
LinkedIn