Search
[english_date] / [bangla_date] / [hijri_date] / [bangla_time]

ব্লাক আউটে ঢাকা!

মারুফ আহমেদ

ঢাকার গুলশান, বনানী, মহাখালী, তেজগাঁও৷ হাতিরঝিল, মগবাজারের আশে পাশের এলাকা, ফার্মগেট, বনশ্রী, রামপুরা, মাদারটেক, খিলগাঁও, মুগদা ও মান্ডাসহ অন্তত ১০-১৫টি এলাকায় হঠাৎ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। রবিবার রাত ১০টা ঘটনা। রামপুরা পাওয়ার গ্রিডে সমস্যা দেখা দেওয়ায় এই বিভ্রাট ঘটে বলে বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে।

বিদ্যুৎ না থাকায় একদিকে যেমন শহরের বিভিন্ন এলাকা অন্ধকারে ডুবে যায়, অন্যদিকে গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন নগরবাসী। বিশেষ করে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা পড়াশোনায় ব্যাঘাতের কারণে বেশ ভোগান্তিতে পড়ে।

রামপুরা গ্রিডে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে এর সঙ্গে সংযুক্ত আরও কয়েকটি গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

বিদ্যুৎ সঞ্চালনের দায়িত্বে থাকা পিজিসিবি এবং ঢাকার একাংশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী ডেসকোর তরফে জানানো হয়, রামপুরা সুপার গ্রিড এর ২৩০ কেভি অংশে সমস্যার কারণে এ বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেয়।

ডেসকোর জনসংযোগ দপ্তর বলেছে, রামপুরার গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে ডেসকো’র বসুন্ধরা ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিডের (আংশিক), পূর্বাচল গ্রিড, বনানী গ্রিড, আফতাবনগর গ্রিড, গুলশান গ্রিড বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, “অন্য একটি গ্রিড থেকে বাইপাস করে বিদ্যুৎ আনার চেষ্টা চলছে। এতে আধা ঘণ্টার মত সময় লাগতে পারে।”

প্রাথমিকভাবে বলা হয়, ৪০ থেকে ৫০ মিনিটের মধ্যে বিদ্যুৎ ফিরতে পারে। তবে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময়সীমা বাড়তে থাকায় জনমনে উদ্বেগ দেখা দেয়। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

অবশেষে রাত ১২টা ৪ মিনিটে বিভিন্ন এলাকায় ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ ফিরে আসে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফেরে শহরবাসীর মাঝে। বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই, তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতা নিরসনে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, নইলে এমন বিভ্রাট ভবিষ্যতে বড় সংকট ডেকে আনতে পারে।

বিশেষ প্রতিনিধি

Facebook
Twitter
LinkedIn