Search
[english_date] / [bangla_date] / [hijri_date] / [bangla_time]

কুলাউড়ার আমানীপুরে কথিত সন্ত্রাসী তাজিম ও হেলালের দাপট…

অভিযোগ নিউজ বিডি ২৪ | OVIJOG NEWS BD 24

জমি সংক্রান্ত বিরোধে মারাত্মক হামলার শিকার হন মাসুক মিয়া। জানা য়ায়, এলাকার ভয়ানক সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে জোড় জুলুম করে অন্যের জমি বে দখলের ষড়যন্ত্রে মেতে তাজিম ও হেলালের নেতৃত্বে অভিযোগকারী মাসুক মিয়ার পরিবারের ওপর পাশবিক হামলা করা হয়। নিশ্চুপ প্রশাসন। নিরব থানা পুলিশিং…আতংকিত গ্রামবাসী….

ঘটনার বিবরণঃ


কুলাউড়া উপজেলার ৯ নং টিলাগাঁও ইউনিয়নের ২ নং ওয়াড এর অন্তগত আমানীপুর গ্রামের মাসুক মিয়ার বাড়িতে ঘটে এই ঘটনা। ১৩ অক্টোবর (সোমবার) দিবাগত রাত ১ টায় স্থানীয় সন্ত্রাসী রুস্তাব মিয়া, উস্তার আলী, আরফান আলী, কুরফান আলী, তাজিম মিয়া, ভূতু মিয়া, আতাউর মিয়া গং সহ বিশাল বাহিনী নিয়ে মধ্যরাতে মাসুক মিয়ার পরিবারের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে স্বয়ং মাসুক মিয়াকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রক্তাক্ত করে ফেলে। মাসুক মিয়ার সাথে পরিবারের এলাইস মিয়া, সয়ফুল মিয়ার ওপরও সন্ত্রাসীরা চড়াও হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এলাইস মিয়ার মাথার সামনে ৫ টি সেলাই ও পেছনে ৩ টি সেলাই সহ মোট ৮ টি সেলাই দিতে হয়। রোগীদের অতিমাত্রায় রক্তক্ষরণের কারণে কুলাউড়া উপজেলা হাসপাতাল থেকে রোগীদের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল থেকে তাৎক্ষণিক ‘পুলিশ কেইস’ রেফারে রোগীদের ভর্তিসহ চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়- জমিজমা নিয়ে মাসুক মিয়া, এলাইস মিয়া ও সয়ফুল মিয়ার সাথে এসব স্থানীয় সন্ত্রাসীদের বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সন্ত্রীসীদের বিভিন্ন ধরনের হুমকীতে জীবন শঙ্কার আশঙ্কাতেই আহত ব্যক্তিরা পূর্বের জায়গা সম্পদ নিয়ে বিবাদের প্রেক্ষিতে সন্ত্রাসীরা এমন লোমহষক আক্রমণ চালায়। রক্তাক্ত অবস্থায় সাথে সাথেই মাসুক মিয়া বাদি হয়ে কুলাউড়া থানায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। বিবাদ মামলা নং ২৫১ (১৩/১০/২০২৫), কুলাউড়া থানা।
রুস্তাব মিয়া, উস্তার মিয়া, তাজিম মিয়া এই ৩ জন ভয়ঙ্কর আসামী বতমানে পলাতক আছে। অন্যান্যরা বীরদর্পে এখনও ঘোরাঘুরি করছে স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক ছত্রছায়ায়! আহত ব্যক্তিরা জানান- কুলাউড়া থানার ওসি ওমর ফারুক, ওসি শামিম(তদন্ত) সাব ইসপেক্টর মোস্তাফিজুর সহ থানার সবাই বিষয়টি জানেন। এদিকে- গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেছেন-আসামীদের ভেতর কয়েকজনের নামে হত্যা ও মাদকমামলা থাকা সত্ত্বেও এরা তাজিম ও কুলাউড়া থানার দালাল হেলালের আন্ডারগ্রাউন্ডে নানান অপরাধমূলক কাজের সাথে জড়িত। তারপরও থানা থেকে কারও বিরুদ্ধে কখনও ব্যবস্থা নেয়া হয় না। ফলে এলাকার উঠতি ও স্থানীয় অপরাধী, সন্ত্রাসীরা প্রশ্রয় পায়। আহত মাসুক মিয়ার পরিবার খুব ভয়ের ভেতর দিনযাপন করছেন। কেননা-৩ আসামী পলাতক থাকলেও অন্যান্যরা এখনও টিলাগাঁও ইউনিয়নে ঘাপটি মেরে আছে। এরা এতোটা ভয়ানক যে কোন সময় পুনরায় হামলা চালাতে পারে। স্থানীয় গ্রামবাসীরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ঘটনার ৪ দিন অতিবাহিত হলেও কুলাউড়া থানা কিংবা স্থানীয় সাংবাদিক, ইলেট্রনিক মিডিয়ার কেউ বিষয়টি নিয়ে কোন এক অজানা রহস্যে টু শব্দটি করছেন না। যা আরও শঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাসুক মিয়ার পরিবার প্রশাসনের কাছে নিরাপদ জীবনের প্রত্যাশার পাশাপাশি দোষী সন্ত্রাসীদের উপযুক্ত বিচার দাবি করছেন।

মৌলভীবাজার সংবাদদাতা

Facebook
Twitter
LinkedIn