মারুফ আহমেদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসন তথা, সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব। মার্কা ধানের শীষ। যা চিরায়ত নির্বাচনের একটি জনপ্রিয় মার্কা হিসেবেই সবার কাছে পরিচিত।
প্রচারণা, সবার সাথে মত বিনিময় ও শুভেচ্ছা আদান প্রদানে অন্যান্য দলের প্রার্থীদের থেকে এগিয়ে আছেন।
এই মুহূর্তে ধানের শীষ নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করা প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিবকে এগিয়ে রাখছেন ভোটাররা। জনমানুষের কাছে ইতিমধ্যেই – বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক প্রতি দিন বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় গিয়ে হাজির হচ্ছেন, পাশাপাশি নিরন্তর দোয়া ও ভালবাসায় জনসাধারণের একান্ত কাছে ছুটে যাচ্ছেন। কথা বলছেন, মিষ্টিমুখের হাসিতে বিভিন্ন বিষয় জানছেন সরাসরি জনতার ভাষ্যে…
সবার সান্নিধ্যেই ছুটে যাচ্ছেন না। দেখা গেছে-
পাড়ার মসজিদ মক্তব মাদ্রাসার ছোট্ট এতিম শিশুদের কাছেও ভালবাসার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন। প্রতিটি এলাকায় ছোটদের হাতে চকলেটও তুলে দেন – স্নেহমাখা আদর বুলিয়ে, যা সত্যি অসাধারণ!
তারুণ্যের প্রথম ভোট ধানের শীষের পক্ষে চেয়ে তিনটি থানায় জনসেবার আহ্বানে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন প্রতিদিন। পরিচ্ছন্ন মনে এগিয়ে নিচ্ছেন প্রচারণাসহ নির্বাচন প্রারম্ভিক দায়িত্ব। অব্যহত রেখেছেন মানুষের সাথে মত বিনিময়, শুভেচ্ছা গ্রহণ ও দোয়া প্রার্থনা। তিনটি থানার সর্বস্তরের অধিবাসীদের তিনি ভালোবাসেন। এলাকার অধিবাসীরাও দলমত নির্বিশেষে ভালবাসেন হাবিবুর রশিদ হাবিবকে। সে কারণেই তিনি সম্ভাব্য একজন অভিভাবক ও এলাকার স্থানীয় ছেলে হিসেবেই, জনকল্যাণে এলাকাবাসীর সেবাব্রতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
বিএনপির প্রার্থী মনোনীত হওয়ায় এবারই প্রথম বাসাবো-মাদারটেকবাসী প্রকৃতই একজন ঘরের ছেলেকে নির্বাচনে নতুন মুখ হিসেবে পেয়েছেন। তিনটি থানাবাসীদের এলাকার প্রার্থী পেয়ে এবার গর্বিত মনে হচ্ছে। সরজমিন প্রতিবেদনেও এটা উঠে এসেছে। জনসেবকের কাছে এলাকাবাসীরা তাই আশা করছেন, আসন্ন নির্বাচনে সবার ভালবাসার মানুষটিই এই এলাকার অভিভাবক হিসেবে নির্বাচিত হবেন।
জনাব হাবিবও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সংসদীয় আসন ঢাকা-৯ কে তিনি একটি মডেল আবাসিক জোন হিসেবে গড়ে তুলতে চান। তিনি আরও মনে করেন-
“এলাকাবাসীর ভোট একটি আমানত। নাগরিকের ভোট একটি অধিকার। তাই সবাই একজন উপযুক্ত মানবিক ও জনবান্ধবকে নির্বাচনে জয়যুক্ত করবেন। ” ঢাকা-৯ থেকে নির্বাচিত হলে, হাবিবুর রশিদ হাবিব সবার জন্য বেশকিছু নাগরিক সুবিধার কথা উল্লেখ করেছেন নিজের নির্বাচনী ইশতেহারে। বলেন: প্রথমেই আমি চাই-
সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণে সকল পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করতে। আরও বলেন,
সামাজিক অসঙ্গতি দূর করতে এলাকাকে প্রথমে সন্ত্রাস মুক্ত করতে হবে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা হয়েছে। ‘কিশোর গ্যাং’ নির্মূল করতে গ্রহণ করা হবে- সচেতনতামূলক কার্যক্রম। এটাই এখন এলাকার সবচেয়ে ভয়াবহ ও চরম প্রকারের একটি নৈতিক অবক্ষয়জনিত সমস্যা।
এই প্রেক্ষাপটে প্রথমেই তিনি কিশোর তরুণদের কথা উল্লেখ করেন, ছোটদের তিনি খুব আদর করেন, ভালবাসেন বলেই-ওদের সুন্দর জীবন গঠনের প্রতি আস্থাশীল। পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়ন এবং বেকারদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের প্রতি জোড় দিবেন জানান, এবং তরুণদের মেধার ভিত্তিতে কাজের সুযোগ তৈরি করা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে সম্পৃক্ত করণেও তিনি কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিরোধ ও আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে চান। এছাড়াও স্বাস্থ সেবার মান নিশ্চিত করণে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়াসহ সবার সুস্বাস্থ্য রক্ষায় মানবিক পদক্ষেপের কথাও বলেন। এমনকি গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করণ, বর্ষায় স্থায়ী জলাবদ্ধতা দূরীকরণকে মনে করছেন- এগুলো এই এলাকার সবচেয়ে বড় গুরু দায়িত্ব। এলাকার শিক্ষার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি সকল ধর্মের ধর্মীয় শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে চান। খেলার মাঠ বৃদ্ধি, সরকারি কমিউনিটি সেন্টার, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান, শ্মশানসহ সবার ধর্মীয় ও কল্যাণমুলক, সেবামূলক কাজে সম্পৃক্ত থাকার কথাও বলেছেন।
সর্বোপরি রাস্তাঘাট নির্মাণ, সংস্কার এটা ঢাকা-৯ আসনের সবার বহুল প্রত্যাশিত একটি সমস্যার কথাও উল্লেখ করেছেন। সব ভাঙা রাস্তা সংস্কার করে, এলাকাবাসীকে কঠিন ভোগান্তি থেকে মুক্তির জন্যও তিনি কাজ করতে চান। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিকরণ, যানজট নিরসনে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ভূমিকার কথা ব্যক্ত
আর সর্বশেষ সুবিধার একটি ব্যতিক্রমী সুবিধা, হাবিবুর রশিদ হাবিব চান, সর্বস্তরের সব জনগণের সাথে সরাসরি যোগাযোগের একটি সেতুঁবন্ধন তৈরি করতে, যেখানে সবাই যে যার সমস্যার কথা নিজের মুখে উপস্থাপন করবেন।
একটি সুন্দর আগামীর জন্য, সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে- ঢাকা -৯ আসনে হাসিখুশি প্রাণবন্ত ব্যক্তিত্ব ‘হাবিবুর রশিদ হাবিব’ এলাকাবাসীর কল্যাণে কাজ করতে চান, দোয়া চান, ধানের শীষে ভোট চান, তারুণ্যের প্রথম ভোটের মূল্যায়ণ ও সবার আগে বাংলাদেশ গড়তে সবার ভালবাসা সাথে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান; জাতীয় সংসদে।
এলাকাবাসীর একজন প্রতিশ্রতিশীল সু-অভিভাবক হিসেবে এই প্রত্যাশা মানুষটি করতেই পারেন।
লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক, কথাসাহিত্যিক